গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বলেছেন, যে সংস্কারগুলোর ব্যাপারে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্য তৈরি হবে, সেগুলো বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি সোমবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন। নুরুল হকের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল এই সংলাপে অংশ নিয়েছে।

নুরুল হক নূর বলেন, \"আমরা সবাই যেন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থেকে জোর দিয়ে হলেও দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে কার্যকর সংস্কারগুলো বাস্তবায়ন করি। সংস্কারের ক্ষেত্রে ব্যক্তি, দল ও গোষ্ঠীর চেয়েও জাতীয় স্বার্থ ও দেশকে যেন প্রাধান্য দিই। এটা কমিশনের কাছে চাওয়া।\"

তিনি আরও বলেন, গত ১৬ বছরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। তবে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও প্রেক্ষাপট এমন ছিল যে, চাইলেও তাঁদের বা আমাদের পক্ষে বেশি কিছু করা সম্ভব ছিল না। তবে, তিনি উল্লেখ করেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এক নতুন প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আরও বলেন, \"গত ১৬ বছরে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হয়েছিল। আমরা চাই আগামীতে কোনো শাসক যেন নাগরিকদের নিপীড়নসহ দেশকে ঝুঁকির মধ্যে না ফেলতে পারে, সেজন্য কার্যকর সংস্কারের লক্ষ্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে হবে।\"

এ সময় তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় রচনা করবে।

\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

এদিকে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬ প্রস্তাবের মধ্যে গণঅধিকার পরিষদ ১২৭টিতে একমত, ১৫টিতে দ্বিমত এবং ২৩টিতে আংশিক একমত বলে লিখিত মতামতে জানিয়েছে।