নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এক বছর পূর্ণ করতে চলেছে। এরই মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
\r\nশুক্রবার (২০ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম সীমাবদ্ধতা হলো—উপদেষ্টা পরিষদ থেকে শুরু করে উন্নয়ন বরাদ্দ—সবখানেই একটি নির্দিষ্ট বিভাগের প্রতি পক্ষপাতিত্ব রয়েছে।”
\r\nসারজিস আলম আরও বলেন, “অনেকক্ষেত্রে এই সরকার একটি নির্দিষ্ট বিভাগের দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে, যা সার্বজনীন উন্নয়নের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।”
\r\nসারজিসের পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত আলোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন। ‘মি. ফরএভার’ নামের একটি আইডি থেকে মন্তব্য করা হয়, “সরকারের নিরপেক্ষতার অভাব প্রকট। উপদেষ্টা পরিষদ গঠনে কিংবা উন্নয়ন বাজেট বণ্টনে নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রতি পক্ষপাত দেখা যায়, যা নির্বাচনকালীন সরকারের উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।”
\r\nআরেকজন পরামর্শ দিয়েছেন, “উপদেষ্টা পরিষদ থেকে কয়েকজনকে বাদ দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।”
\r\n‘মো. মহিউদ্দিন মাহমুদ’ নামের একজন লিখেছেন, “ব্যক্তিগতভাবে সততা, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি থাকলেই জনগণ উপকৃত হবে।”
\r\nতবে সবাই যে একমত এমন নয়। জাকারিয়া রোমেল নামে একজন মন্তব্য করেছেন, “আসলে সরকারের পক্ষপাত এক বিভাগের নয়, বরং এনসিপি নেতাদের দিকেই বেশি!” তবে পোস্টের নিচে মন্তব্যের জবাবে সারজিস আলম কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
\r\nএর আগে বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) দেওয়া এক পোস্টে সারজিস আলম মন্তব্য করেন, “ইসরাইলের পতন আবশ্যক ইনশাআল্লাহ।” তার এ বক্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়।
\r\nঅন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের এক বছর পূর্তির প্রাক্কালে এমন বক্তব্য ও বিতর্ক সরকারকে নতুন চাপে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।





