ইরানে হামলায় প্রতি চারজন আমেরিকানের মধ্যে একজনের সমর্থন রয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর রয়টার্স/ইপসস এই জরিপ চালায়।
উত্তরদাতাদের ২৭ শতাংশ জানিয়েছেন, তারা এই হামলার সমর্থন করেন। ৪৩ শতাংশ উত্তরদাতা হামলার বিরোধিতা করেছে এবং ২৯ শতাংশ জানিয়েছেন তারা কী মত দেবেন, তা নিশ্চিত নন।
এছাড়া ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৯ জন উত্তরদাতা বলেছেন, শনিবার ভোরে শুরু হওয়া হামলা সম্পর্কে তারা অন্তত কিছুটা হলেও শুনেছেন। আর প্রায় ৫৬ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ এগিয়ে নিতে সামরিক শক্তি ব্যবহারে অতিরিক্ত আগ্রহী।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াল লেবানন
লেবানন থেকে মিসাইল ছোড়ার পর ইসরায়েলের গণমাধ্যম বলছে, তেল আবিবের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছে বৈরুত। তবে ইসরায়েলের এমন দাবির পর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন।
তার দেশকে ‘প্রক্সি সংঘাতে’ না জড়ানোর ব্যাপারে সতর্ক করে দেন তিনি। ২০২৪ সালে ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার পর, এই প্রথম ইসরায়েলে হামলা চালালো প্রতিরোধ যোদ্ধারা।
ইরানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে জিসিসি
উপসাগরীয় দেশগুলো বলেছে, ইরানের ‘আগ্রাসনের’ জবাব দেয়ার অধিকার রয়েছে তাদের।
উপসাগরীয় দেশগুলো প্রয়োজনে আগ্রাসনের জবাব দেয়াসহ ইরানের হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষা করার অঙ্গীকার করেছে। এ লক্ষ্যে যৌথ প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করতে উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল (জিসিসি) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করে।
জিসিসির ছয় সদস্য দেশ— সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সৌদি আরব, ওমান, কাতার ও কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানে হামলায় সৃষ্ট ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা করেন এবং অঞ্চলে স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।
লেবাননের ৫০ গ্রামের বাসিন্দাদের সরে যেতে বলল ইসরায়েল
লেবাননের ৫০টিরও বেশি গ্রামের বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং হামলার সতর্কতা জারি করেছে ইসরায়েল। চিহ্নিত এলাকাগুলোর মানুষকে খোলা স্থানে অন্তত এক হাজার মিটার দূরে সরে যেতে বলা হয়েছে।
সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, “আপনাদের নিরাপত্তার জন্য অবিলম্বে বাড়িঘর ছেড়ে গ্রামগুলো থেকে অন্তত এক হাজার মিটার দূরে খোলা স্থানে চলে যান।”
এতে আরও বলা হয়েছে, “যে কেউ হিজবুল্লাহর সদস্য, তাদের স্থাপনা বা সামরিক সম্পদের কাছে অবস্থান করবে, সে নিজের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে।”
যেসব গ্রামের নাম উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো হলো- সারিফা, মারউব, সেলা (টাইর), দেবআল, বাফলিয়েহ, বারিশ, আরজউন, ক্বলাইলে, আল-শাহাবিয়া (তায়র জিবনা), দারদঘায়া, বাস্তিয়াত, আরব সালিম, হাউশ আল-রাফকা, ইয়াহমার (ওয়েস্ট বেকা), মাইদুন, দালাফি, আইন কানা, নিস্সেহ, মানসুরি (টাইর), মাজদাল জউন, মাজরাত বুয়ুত আল-সাইয়্যাদ, জাবাল আল-বুতম, জিবকিন, আল-সামায়া, আইতিত, কানা, আল-বাইয়াদা (টাইর), দেইর আমেস, আইতা আল-জাবাল (আল-জাউত), হানিন (বিনত জবেইল), হারিস, হাদ্দাথা, মাহরৌনা, বেইত লিফ, ইয়াতের (বিনত জবেইল), শাকরা, হৌলা, বারাআশিত, বিনত জবেইল, জ্মাইজমেহ, আইতারউন, সাফাদ আল-বাদ্দিখ, আল-বাসুরিয়েহ, আইনাতা, হানাওয়িয়া, জান্নাতা, বুর্জ আল-শামালি, মারাকেহ, সিদ্দিকিনে, আল-মাজাদেল, ওয়াদি জিলো, দ্রুইস (বালবেক), এবং মাইস আল-জাবাল।





