জাবি প্রতিনিধি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন হল ইউনিটের ৩৩ জন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। গত ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় (ইসি) ঘেরাও কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।


সোমবার (১৯ জানুয়ারি) মধ্যরাতে জাবি শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ অন্তরের স্বাক্ষরিত এবং আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর ও সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীকের নির্দেশনায় পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১০টি হলের এসব নেতাকে শোকজ করা হয়।


শোকজপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আল বেরুনী হলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলামসহ ৭ জন; শহীদ সালাম বরকত হলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান হিরণ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাকিব; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সভাপতি মেহেদী হাসান ইমনসহ ৪ জন; নবাব সলিমুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ রিমনসহ ২ জন; শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের ২ জন; শহীদ রফিক জব্বার হলের ৩ জন; মীর মশাররফ হলের সভাপতি শেখ সাদী হাসানসহ ৩ জন; শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের ৩ জন; আ ফ ম কামাল উদ্দীন হলের সভাপতিসহ ৫ জন এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের ২ জন।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পূর্বঘোষিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলের সব দায়িত্বশীল নেতাদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট নেতারা কোনো পূর্ব অবহিতকরণ বা অনুমতি ছাড়াই কর্মসূচিতে অনুপস্থিত ছিলেন, যা দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থি।


এতে আরও বলা হয়, এ ধরনের দায়িত্বহীন আচরণ একজন দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে প্রত্যাশিত ন্যূনতম সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। শোকজপ্রাপ্ত নেতাদের আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে তাদের অনুপস্থিতির সুস্পষ্ট ও যুক্তিসংগত কারণ লিখিতভাবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের দপ্তর ও সহ-দপ্তর সম্পাদকের কাছে ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।