এপ্রিল মাসে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৫০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আমদানি করবে সরকার। এছাড়া দেশীয় উৎস থেকে আরও ৩০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন পাওয়া যাবে, যা মাসিক চাহিদা মেটানোর পরও অন্তত দুই মাসের অতিরিক্ত মজুত নিশ্চিত করবে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ সোমবার জাতীয় সংসদে জানান, বৈশ্বিক অস্থিরতা—বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে চাপ থাকলেও বাংলাদেশ আগাম প্রস্তুতি, নিয়মিত আমদানি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেলেও দেশে মূল্য এখনও স্থিতিশীল। বর্তমানে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০০ টাকা হলেও প্রকৃত ব্যয় প্রায় ১৯৮ টাকা। অকটেনের ক্ষেত্রেও সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে।
তিনি আরও জানান, মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত ডিজেলের জন্য প্রায় ১৫,৪০৯ কোটি টাকা এবং অকটেনের জন্য ৬৩৬ কোটি টাকা ভর্তুকি প্রয়োজন হবে। এছাড়া এলএনজি আমদানিতেও ১৫,৭৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে। মন্ত্রী বলেন, সংকটের সময়ে জনগণের পাশে দাঁড়ানোই রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
বাংলাদেশে জ্বালানির দাম না বাড়িয়ে স্থিতিশীল রাখার মাধ্যমে কৃষি, পরিবহন ও দৈনন্দিন জীবনের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।





