কেরমানশাহ, ইরান — ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কেরমানশাহর ফারাবি হাসপাতালে ইসরায়েল ‘সরাসরি হামলা’ চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান। সোমবার (১৬ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ তুলেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই হামানেহ।
\r\nবাঘাই দাবি করেন, “এই হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মারাত্মক লঙ্ঘন এবং একটি স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ।” তিনি আরও বলেন, “বেসামরিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ওপর হামলা চালানো নৈতিক ও মানবিক মানদণ্ডের সম্পূর্ণ অবমাননা।”
\r\nইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, হাসপাতালটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরপরই সেখানে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। তবে হতাহতের বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
\r\nঅন্যদিকে, আরেক রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তেহরান টাইমস জানায়, হামলায় ফারাবি হাসপাতালের আইসিইউ ওয়ার্ড মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জানালা ও বেশিরভাগ চিকিৎসা সরঞ্জামও ভেঙে পড়েছে। এতে হাসপাতালে ভর্তি কয়েকজন রোগী আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
\r\nব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি হাসপাতালের ক্ষয়ক্ষতির কিছু ভিডিও যাচাই করেছে। যদিও ভিডিওগুলোতে হাসপাতালের অভ্যন্তরের ব্যাপক ক্ষতির চিত্র পাওয়া গেছে, তবু প্রতিষ্ঠানটি নিশ্চিত করতে পারেনি যে হাসপাতালটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তু ছিল কি না।
\r\nআন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন অনুযায়ী, সশস্ত্র সংঘাতের সময় চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় হামলা নিষিদ্ধ। এমন কোনো হামলা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
\r\nএ বিষয়ে ইসরায়েল এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।





