ইরানের রাজধানী তেহরানে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্ট (বা কার্তজ) জানিয়েছেন, এই হামলা ছিল ইরানের সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় ‘আগাম প্রতিরোধমূলক’ পদক্ষেপ।

\r\n

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, এই হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক অবকাঠামো। তিনি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যতদিন প্রয়োজন ততদিন এই অভিযান চলবে।”

\r\n

এরই মধ্যে ইসরায়েলজুড়ে ‘বিশেষ জরুরি অবস্থা’ জারির ঘোষণা দিয়েছে নেতানিয়াহুর সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

\r\n

আল-জাজিরা জানিয়েছে, তেহরানের উত্তর–পূর্বাঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয় সময় অনুযায়ী ভোররাতে এসব হামলা হয়। ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে বলা হয়েছে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৬ থেকে ৯টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যার মধ্যে আবাসিক ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো নিশ্চিত খবর পাওয়া যায়নি।

\r\n

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, ইসরায়েলের এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বলেন, “ওয়াশিংটনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন সেনাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।”

\r\n

এই হামলার প্রেক্ষিতে ইরান কী প্রতিক্রিয়া জানাবে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উৎকণ্ঠা বাড়ছে।