ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনোই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সুযোগ দেবে না। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চললেও যেকোনো পরিস্থিতিতে পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়।
স্টেট অব ইউনিয়ন ভাষণে ট্রাম্প বলেন, যৌথ মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর ইরান আবার পারমাণবিক কার্যক্রম বাড়িয়েছে। তিনি ইরানকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান ‘সন্ত্রাসপৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ইউরোপ, মার্কিন ঘাঁটি এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক প্রস্তুতির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, সেখানে দুটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ১৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে, যা ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি।
ট্রাম্প বলেন, শক্তির মাধ্যমে শান্তি নিশ্চিত করাই যুক্তরাষ্ট্রের নীতি এবং দেশের নিরাপত্তা ও মিত্রদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এছাড়া তিনি বলেন, তার প্রশাসনের প্রথম দশ মাসে আটটি যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান হয়েছে। গাজা সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, সব বন্দি ও জিম্মিকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে, তবে মানবিক পরিস্থিতি বা হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য তিনি উল্লেখ করেননি।
ভাষণের শেষ দিকে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি স্বর্ণযুগে প্রবেশ করেছে এবং দেশের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তি ইতিহাসে আগে কখনো এত শক্তিশালী ছিল না।





