গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:
মোঃ রিয়াদ প্রধান 

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে দায়ের করা একটি মামলাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা তথ্য প্রচার ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পলাশবাড়ী উপজেলা শাখা।

শনিবার (২৮ মার্চ ২০২৬) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, গত ২৫ মার্চ পুলিশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি না হওয়া সত্ত্বেও জামায়াতের পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার পৌরসভা পেশাজীবী বিভাগ এর সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা এ ঘটনাকে সম্পূর্ণ অন্যায়, অযৌক্তিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মিজানুর রহমানকে তার নিজ বাসা থেকে আটক করে। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
 তবে সংশ্লিষ্ট মামলার এজাহারে তার নাম না থাকা সত্ত্বেও তাকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন নেতৃবৃন্দ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে তাকে মামলার আসামি হিসেবে উল্লেখ করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রচারের ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং একজন নির্দোষ ব্যক্তির সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।জামায়াত নেতারা বলেন, একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে হয়রানির উদ্দেশ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যা ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের পরিপন্থী।
 তারা ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমানের দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ না করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চা নিশ্চিত করতে হবে এবং ইতোমধ্যে প্রকাশিত ভুল তথ্য সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার আমীর মোঃ আবু বকর সিদ্দিক ও সেক্রেটারি মোঃ সাওখায়ত হোসেন স্বাক্ষর করেন।