রাজশাহীর বাগমারায় জামায়াতের প্রার্থীকে ভোট দিতে দলের কর্মীদের উৎসাহিত করার অভিযোগে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে মারধর এবং তাঁর মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় তাঁর দুই ভাতিজাও হামলার শিকার হন। আহতদের তাহেরপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শ্রীপুর ইউনিয়নের সাদোপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত আওয়ামী লীগের নেতা মুহিদুল ইসলাম (৪৮) শ্রীপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পল্লিচিকিৎসক।
\r\nপুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুহিদুল ইসলাম মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সাদোপাড়া ডাকঘরের কাছে তাকে এবং তার ভাতিজাদের পথ আটকিয়ে বিএনপির কয়েকজন কর্মী জামায়াতের পক্ষে কাজ করার অভিযোগ তোলেন। মুহিদুল অভিযোগ অস্বীকার করলে হামলা চালানো হয়। চিৎকারে ভাতিজারা ছুটে আসেন এবং তাদেরও মারধর করা হয়। পরে হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে চলে যান।
\r\nআহত খায়রুল ইসলাম জানান, বাম হাতে আঘাত পেয়ে হাত ভেঙে গেছে। পরিবার মামলা করতে চায় না। হামলার সঙ্গে বিএনপির শ্রীপুর ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক সালাম পারভেজের সম্পর্ক থাকার অভিযোগ থাকলেও তিনি বলেন, ‘এটি বড় কোনো ঘটনা নয়। এলাকা শান্ত রাখার চেষ্টা করছি।’
\r\nবাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল আলম জানান, পুলিশ ঘটনাটির বিষয়ে অবগত, তবে থানায় কোনো মামলা হয়নি।





