মাহামুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল নাগরিক ঐক্য এবার জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন ‘ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ’ জোটে যুক্ত হতে পারে, এমন গুঞ্জন উঠেছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে জামায়াতের নেতৃত্বে থাকা এই নির্বাচনি জোট ১২ দলীয় জোটে রূপ নেবে।


মাহামুদুর রহমান মান্না ইতিমধ্যে জামায়াত জোটের একাধিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। দুই-এক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও আসতে পারে। মান্না মূলত বগুড়া-২ ও ঢাকা-১৮ আসন থেকে নির্বাচন করছেন। এর মধ্যে বগুড়ায় জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাদাতুজ্জামান এবং ঢাকা-১৮ আসনে জোট সঙ্গী হিসেবে এনসিপির নেতা আরিফুল ইসলাম আদীব থাকছেন। কোনো একটি সমঝোতা মেনে জোটের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে।


এর আগে, গত বুধবার (২১ জানুয়ারি) নাগরিক ঐক্য বিএনপির জোট থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয়। একই সঙ্গে তারা ১১টি আসনে এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা জানিয়েছিল।


সূত্র জানায়, আসন সমঝোতার পরও ছাড় না দেওয়ায় দীর্ঘদিনের মিত্র বিএনপির সঙ্গে মান্নার এই পদক্ষেপ। বগুড়া-২ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি নেতা শাহ আলমকে মনোনয়ন দেওয়া ও শেষ মুহূর্তে তা প্রত্যাহার না করায় বিভাজন সৃষ্টি হয়।


বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও কোনো সমাধান না হওয়ায় মান্না সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ‘একা চলো’ নীতি অনুসরণের ঘোষণা দেন। সেই সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মান্না নিজে ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এছাড়া দলের অন্য ১০টি আসনে ‘কেটলি’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া হবে।