বলিউডে ডিপফেক রোধে তারকাদের অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। সালমান খানের আবেদনের পরই আইনজীবীরা বলছেন, ভবিষ্যতে অন্য তারকারাও ব্যক্তিগত অধিকার সুরক্ষায় নতুন মামলা করতে পারেন। প্রযুক্তির অপব্যবহার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় সরকারকেও আরও স্পষ্ট নীতি তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ :
আদালতের আদেশের পর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে অতিরিক্ত যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব ও টিকটকে সেলিব্রিটিদের নকল কণ্ঠস্বর বা নাচের স্টেপ ব্যবহার করা হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। প্ল্যাটফর্মগুলোকে তিন দিনের মধ্যে কনটেন্ট সরানোর রিপোর্ট আদালতে পাঠাতে হতে পারে বলে জানিয়েছে আইটি বিভাগ।
বিজ্ঞাপনেও ‘ডাবল’ ব্যবহার কঠিন হবে :
ব্র্যান্ডিং বা বিজ্ঞাপনে কোনো তারকার পরিচিত স্টাইল, সংলাপ বা নাচ ব্যবহার করতে হলে এখন থেকে লিখিত অনুমতি লাগবে। বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলো বলছে, এ সিদ্ধান্তের ফলে অননুমোদিত মিম বা শর্ট ভিডিও বিজ্ঞাপন বন্ধ হবে। এতে তারকার ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড ভ্যালু নিরাপদ থাকবে।
ফ্যানমেক ভিডিও নিয়ে বিভ্রান্তি :
সালমান খানের মামলার পর অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, ফ্যানমেড ভিডিও বা ট্রিবিউট কনটেন্ট কি সীমাবদ্ধ হবে? আইনজীবীরা জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিক ব্যবহার বা বিকৃত ব্যাখ্যা নিষিদ্ধ। তবে ভক্তদের সম্মানজনক ট্রিবিউটমূলক ভিডিওতে সাধারণত বাধা থাকে না, যদি সেটি অপব্যবহারের পর্যায়ে না যায়।
ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কঠোরতা বাড়ছে :
ডিপফেক সংক্রান্ত অভিযোগ বাড়ায় ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো নতুন নীতিমালা আনতে প্রস্তুত। নকল কণ্ঠস্বর ব্যবহার করা ডাব ভিডিও কিংবা এআই-জেনারেটেড সংলাপ এখন থেকে সরাসরি বাতিল করা হবে। কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য আলাদা নির্দেশিকা প্রকাশের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।





