তারেক রহমানকে বহনকারী ফ্লাইট ও পাইলট সম্পর্কে যা জানা গেল
এক বিশাল জনজোয়ারের মধ্যে গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছেন। তার স্বদেশে ফেরা কেবল একটি ঐতিহাসিক ঘটনাই নয়, দেশের রাজনীতিতে ‘নতুন সূর্যোদয়’ এবং ‘গণতন্ত্রকামী মানুষের এক জাগরণ’।

তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে বিমানবন্দর টারমার্কে অবতরণ করার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে চারদিক থেকে আনন্দধ্বনি উচ্চারিত হয়। সে ছিল এক অভাবনীয় আবেগঘন মুহূর্ত। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর স্বদেশে এলেন তারেক রহমান। এর মধ্যদিয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের তার নির্বাসিত জীবনের অবসান হয়।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময় তারেক রহমান ছিলেন খুবই আবেগপ্রবণ। তাকে বহনকারী বিমানটি বাংলাদেশের আকাশসীমায় পৌঁছামাত্র ভেরিফাইড ফেসবুকে ছবি দিয়ে তিনি এক শব্দের একটি স্ট্যাটাসে লিখেন- ‘ফেরা’। আরেকটি স্ট্যাটাসে তারেক রহমান লিখেন-‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪দিন পর বাংলাদেশের আকাশে’। সিলেটে ৯টা ৫৭ মিনিটে তার ফ্লাইটটি অবতরণ করে। তিনি লিখেন, অবশেষে সিলেটে, বাংলাদেশের মাটিতে। নির্বাসনের স্মৃতি ও প্রত্যাশা ব্যক্ত করে অন্য একটি পোস্টে তারেক রহমান লিখেন-‘এই ১৭ বছর কেবল সময় নয়, বরং দীর্ঘ অপেক্ষা এবং মাতৃভূমির প্রতি না বলা হাজার কথার সমষ্টি, যেখানে গণতন্ত্রের স্বপ্নজয়ের পথে ঐতিহাসিক মুহূর্ত।