দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান।
অবশেষে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

দলীয় নেতাকর্মীদের মুখে এখন একটাই কথা—“আমাদের নেতা ফিরছেন, ফিরছে আমাদের লড়াইয়ের সাহস।”

রাজধানী থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিএনপি কার্যালয়গুলো এখন সাজছে নতুনভাবে। কেউ লিখছেন ব্যানার, কেউ বানাচ্ছেন পোস্টার—সবখানে একই উচ্ছ্বাস, একই প্রত্যাশা।

তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে বিএনপি কর্মীরা দেখছেন নতুন সূচনা হিসেবে। অনেকে বলছেন, এটি কেবল একজন নেতার প্রত্যাবর্তন নয়—এটি একটি আন্দোলনের পুনর্জাগরণ।

একজন তৃণমূল নেতা বলেন,
“দীর্ঘ সময় আমরা দমন-পীড়নের মধ্যে থেকেছি, কিন্তু বিশ্বাস হারাইনি। তারেক ভাই ফিরছেন মানে আমাদের সেই বিশ্বাসের জয়।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও মনে করছেন, বিএনপির জন্য এটি হতে পারে টার্নিং পয়েন্ট। সংগঠনের ভেতরে যে নিষ্ক্রিয়তা ছিল, তা কাটিয়ে নতুন করে ঐক্যের ঢেউ তুলতে পারে তাঁর প্রত্যাবর্তন।

তরুণ প্রজন্মের কর্মীরাও পিছিয়ে নেই। সামাজিক মাধ্যমে চলছে “স্বাগত তারেক রহমান” প্রচারণা। কেউ তৈরি করছেন ভিডিও, কেউ লিখছেন কবিতা, কেউ আবার আঁকছেন স্বপ্নের চিত্র—“নেতা ফিরছেন, বাংলাদেশ বদলাবে।”

দলীয় এক নেতা বলেন,
“তারেক রহমানের ফেরা মানে বিএনপির নতুন প্রাণ, নতুন দিকনির্দেশনা। তাঁর উপস্থিতিই হবে আগামী দিনের সংগ্রামের অনুপ্রেরণা।”