রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার লাশ কবর থেকে তুলে পোড়ানোর ঘটনা দেশজুড়ে শোক ও বিস্ময় সৃষ্টি করেছে। অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যেই এই বর্বরতা কঠোরভাবে নিন্দা জানিয়ে সতর্ক করেছে, বলেছে, এমন কর্মকাণ্ড কোনো অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে ইসলামিক বক্তা মুফতী গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে একটি ইসলামিক মাহফিলে তিনি বলেন, “নুরাল পাগলা যদি জীবনে অন্যায়, শিরক, ভন্ডামি বা কুফরি করত, তবে একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের দেশের প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তিনি মারা গেলে, কবরের ভেতরে আঘাত করা ও লাশ তুলে পোড়ানো হলো। এটি কোনো ইসলামী আচরণ নয়।”
তাহেরী আরও বলেন, “এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম। ৫০–৬০ বছর বয়সী যারা আছেন, তারা এমন দৃশ্য কখনো দেখেননি। কবর থেকে মুসলমানের লাশ তুলে আগুন দিয়ে পোড়ানো কি কখনো বাংলাদেশে ঘটেছে?”
জানা যায়, শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে ইমাম মাহদী দাবী করা নুরাল পাগলার মরদেহ ‘তৌহিদী জনতা’ কবর থেকে তুলে বের করে। এরপর উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পদ্মার মোড় এলাকায় প্রকাশ্যে পেট্রোল ঢেলে লাশ পোড়ানো হয়।
এই ঘটনায় নুরাল পাগলার অনুসারী ও স্থানীয় তৌহিদী জনতার মধ্যে সংঘর্ষে এক যুবক রাসেল মোল্লা (২৮) নিহত হয়েছেন।







