বিকেলের আলো নামার সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ জমবে এক গৌরবের আয়োজন। দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান


\r\n

জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবার ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে। স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষায় অবদানের জন্য প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-কে মনোনীত করা হয়েছে—যা এ বছরের পুরস্কার তালিকায় বিশেষ গুরুত্ব যোগ করেছে।


\r\n

পুরস্কারের তালিকায় রয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞান, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সংগীত, ক্রীড়া, সমাজসেবা ও গবেষণাসহ নানা ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিত্বরা। তাঁদের মধ্যে আছেন মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), অধ্যাপক জহুরুল করিম, সাহিত্যিক আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেত, সংগীতশিল্পী বশীর আহমেদ (মরণোত্তর), ক্রীড়াবিদ জোবেরা রহমান (লিনু) এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর)।


\r\n

প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন, এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠান।


\r\n

১৯৭৭ সাল থেকে চালু হওয়া এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে প্রদান করা হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা পাচ্ছেন ৫ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণপদক, একটি রেপ্লিকা ও সম্মাননাপত্র।


\r\n

আজকের এই আয়োজন শুধু পুরস্কার প্রদান নয়—এটি দেশের ইতিহাস, অর্জন আর কৃতিত্বের প্রতি এক নীরব সম্মান জানানোর মুহূর্ত।