এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ নির্ধারণের ম্যাচ আজ রাতে। কার্যত এক প্রকার সেমিফাইনালেই দুবাইয়ে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। যে দল জিতবে, তারাই ফাইনালে জায়গা করে নেবে।

ভারতের কাছে হারের পর দ্রুতই মাঠে ফিরছে বাংলাদেশ। যদিও আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে তারা আসরে ইতিমধ্যেই আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। জুলাইয়ে ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারানোর স্মৃতিও সতেজ। এবারও তরুণ-নির্ভর দল নিয়ে সাফল্যের আশা করছে টাইগাররা।

অন্যদিকে পাকিস্তান শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জিতে ছন্দে ফিরেছে। রান তাড়ায় ৫৭/৪ অবস্থায় দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন হুসেইন তালাত ও মোহাম্মদ নওয়াজ। দুজনের ব্যাটেই সহজ জয় পায় পাকিস্তান। বোলিংয়েও দলকে এগিয়ে রেখেছেন শাহীন শাহ আফ্রিদি, যিনি শুরুতেই প্রতিপক্ষকে আঘাত হানতে পারদর্শী।

বাংলাদেশের ভরসা লেগস্পিনার রিশাদ হোসেন। ভারতের বিপক্ষে তার দারুণ বোলিং আলোচনায় এসেছে। এবারের আসরে এখন পর্যন্ত ৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ব্যাট হাতে সাইফ হাসানের ধারাবাহিক রান ও লিটন দাসের ফেরার সম্ভাবনা দলকে আরও শক্তিশালী করবে। তাসকিন আহমেদ ফিরলেও বোলিং বিভাগে বাড়তি সুবিধা পাবে বাংলাদেশ।

পাকিস্তান দলে পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে। টানা ব্যর্থ সাইম আইয়ুবের জায়গায় দেখা যেতে পারে হাসান নওয়াজ বা খুশদিল শাহকে।

বাংলাদেশ: তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, লিটন দাস (অধিনায়ক/উইকেটকিপার), তৌহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, জাকের আলি, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান।

পাকিস্তান: সাহিবজাদা ফারহান, ফখর জামান, সাইম আইয়ুব/খুশদিল শাহ/হাসান নওয়াজ, সালমান আগা (অধিনায়ক), হুসেইন তালাত, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটকিপার), মোহাম্মদ নওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, শাহীন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ।

দুবাইয়ের উইকেট ধীরগতির। প্রথমে ব্যাট করা কঠিন, তাই টস জিতলে বোলিং নেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ক্যারিয়ারে প্রথমবার টানা দুই ম্যাচে বল করেননি পাকিস্তানের মোহাম্মদ নওয়াজ। মোস্তাফিজুর রহমান টি-টোয়েন্টিতে ১৫০ উইকেট নেওয়া বিশ্বের চতুর্থ বোলার। ভারতের বিপক্ষে আগের ম্যাচে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন জাকের আলি।