ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও সীমান্ত উত্তেজনা পুরোপুরি কমেনি। এই প্রেক্ষাপটে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোর সুরক্ষা জোরদারের অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের ফারাক্কা ব্যারেজ ও সংলগ্ন রেললাইনে নিরাপত্তা মহড়া চালিয়েছে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো।
\r\nশুক্রবার (১৬ মে) আয়োজিত এই মহড়ায় অংশ নেয় বিএসএফ, সিআইএসএফ, আইবি, স্থানীয় পুলিশ, ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ এবং রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে যেকোনো নাশকতা ঠেকাতে এবং জরুরি অবস্থায় সমন্বিত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করতে এই যৌথ মহড়া আয়োজন করা হয়।
\r\nসিআইএসএফ-এর কমান্ড্যান্ট মুকেশ কুমার জানান, “ফারাক্কা ব্যারেজ দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের একমাত্র সংযোগপথ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কোনো ধরনের অশান্তি দেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।” তিনি আরও বলেন, সীমান্ত ছাড়াও দেশের অভ্যন্তরে অনেক স্পর্শকাতর অঞ্চল রয়েছে, যেগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি।
\r\nএই মহড়াকে ‘মাল্টি এজেন্সি মক এক্সারসাইজ’ হিসেবে উল্লেখ করে কুমার বলেন, এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার মধ্যে সমন্বিত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কেউ যদি সন্দেহজনক কোনো কিছু লক্ষ্য করেন, তাহলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানান।
\r\nপ্রশাসন জানিয়েছে, মহড়ার পর ফারাক্কা ব্যারেজ এলাকায় অতিরিক্ত সিআইএসএফ সদস্য মোতায়েন করা হবে। এর আগে উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ির বাগরাকোটায় ভারতীয় সেনাবাহিনী ‘তিস্তা প্রহর’ নামে অস্ত্র মহড়া চালায়। ওই মহড়ার ধারাবাহিকতায় এবার ফারাক্কা এলাকায় এই নিরাপত্তা অনুশীলন চালানো হলো।





