প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। আজ (মঙ্গলবার, ১০ মার্চ) রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে এই কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে জোর দেওয়া হয়েছিল।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি এবং দেশের বিশিষ্ট নাগরিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু হবে। এ জন্য প্রতিটি উপজেলার তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং তালিকা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের দারিদ্র্য সূচক নির্ণয় করা হয়েছে এবং পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে।

হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে প্রাথমিকভাবে ৫১৮০৫টি থানা তথ্য যাচাই করা হলে ৪৭৭৭৭টি খানা সঠিক পাওয়া যায়। তবে ডাবল ডিপিং (একই ব্যক্তির একাধিক ভাতা গ্রহণ), সরকারি চাকরি, পেনশন ইত্যাদি কারণে চূড়ান্তভাবে ৩৭৫৬৭টি নারী প্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ওয়ার্ড কমিটি প্রতিটি বাড়ি ঘরে ঘরে গিয়ে পরিবারের আর্থ-সামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, ব্যবহৃত আসবাবপত্র ও গৃহস্থালী সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, মোবাইল ইত্যাদি), রেমিট্যান্স প্রবাহ ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করেছে। সংগৃহীত তথ্য ইউনিয়ন কমিটি দ্বারা যাচাই-বাছাই করা হয়েছে।

ইউনিয়ন কমিটি যাচাই-বাছাই করা তালিকা উপজেলা কমিটির মাধ্যমে আরও যাচাই করে উপকারভোগীর চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করেছে। পাইলট পর্যায়ে সারাদেশে মোট ৬৭৮৫৪টি নারী প্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।