বরিশালের মুলাদী উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে পৌর শহরের মুলাদী হাসপাতাল সড়কে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে হেফাজতে নেয়। আটকরা হলেন আজিজুল ঢালী ও ইব্রাহীম বেপারী।
এর আগে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে মুলাদী পৌরসভার সিনেমা হল রোড এলাকায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে মো. সাকিব, শওকত, কামাল, রিংকন ও বাপ্পি আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দলীয় পদ-পদবি ও এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাওন হাওলাদার ও যুবদল সভাপতি রফিক ঢালীর অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি এবং পরে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
মুলাদী পৌর যুবদলের সভাপতি রফিক ঢালী বলেন, তিনি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ব্যবসায়ী দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেন। দুই পক্ষই লাঠিসোঁটা, ইট-পাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর টহলও দেখা গেছে।
মুলাদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কাজী কামাল বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। যাদের আটক করা হয়েছে তারা বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠনের কেউ নন বলে তিনি দাবি করেন।
মুলাদী থানার অফিসার ইনচার্জ আরাফাত জাহান চৌধুরী বলেন, ঘটনার পর দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কেউ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেনি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





