বার কাউন্সিল নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনজীবী অঙ্গনে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা জবরদখল করে বার কাউন্সিলকে নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আইনবিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মুসা।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) হাইকোর্ট ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনার পরিবর্তে মৌখিক নির্দেশনায় তা স্থগিত করা হয়েছে, যা স্বচ্ছতার পরিপন্থী।
তার অভিযোগ, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে একটি পক্ষ বার কাউন্সিলকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। এমনকি নির্বাচন না হলে এডহক কমিটির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান দখলের পরিকল্পনা থাকতে পারে বলেও তিনি দাবি করেন।
এর আগে বার কাউন্সিল জানায়, দেশের জ্বালানি সংকটের কারণে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল সাতটি সাধারণ ও সাতটি আঞ্চলিক আসনের নির্বাচন।
\r\nএই সিদ্ধান্ত ঘিরে আইনজীবী মহলে বিভক্ত প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক ও বাস্তব কারণে নেওয়া বললেও অন্য পক্ষ এটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মনে করছে।
এ ঘটনায় বার কাউন্সিলের ভবিষ্যৎ নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।





