ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার শশীগঞ্জ দক্ষিণ বাজার এলাকায় হাসপাতালের সামনে এ সংঘর্ষ হয়।
আহতদের মধ্যে চারজনকে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন মো. নোমান (২৫), আব্দুল গফুর (৩৫), মিরাজ (২৫), আল-আমীন (২৫) ও রুবেল (৩৫)। এদের মধ্যে আল-আমীনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটনের নেতৃত্বাধীন গ্রুপের সঙ্গে যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার ও মিজানের নেতৃত্বাধীন গ্রুপের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা দফায় দফায় সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার বিষয়ে শ্রমিক দল সভাপতি ইকবাল হোসেন লিটন দাবি করেন, অতীতে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারদের দ্বারা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের হিসাব বুঝে নিতে গেলে যুবদলের একটি অংশ বাধা দেয়। এ থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
অন্যদিকে যুবদল নেতা গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ইকবাল হোসেন লিটন বাজারে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও মারধর করলে স্থানীয়রা বাধা দেয়। এ সময় তাদের পক্ষেরও কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
তজুমদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সালাম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।





