সংবাদ লোড হচ্ছে...
সংবাদ লোড হচ্ছে...
শেরপুরে জামায়াতের এক কর্মীকে প্রকাশ্যে কু-পি-য়ে হ-ত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও দ্রুত বিচার দাবি করেছেন ঢাকা-১৩ আসনে ১১ দলের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আল্লামা মামুনুল হক।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) তার নির্বাচনী প্রচারণার চতুর্থ দিনের ‘জাগরণী পদযাত্রা’ চলাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, শেরপুরে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা সহিংসতা কখনোই কামনা করি না। দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের শনাক্ত করে বিচারের ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি।
তিনি ১১ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনোভাবেই নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া যাবে না।
মামুনুল হক নির্বাচন কমিশন ও বিএনপির ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, অপরাধীদের গ্রেপ্তার না করা নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতা। একই সঙ্গে বিএনপিও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। বরং তাদের নেতৃবৃন্দ নারীদের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ও অসভ্য মন্তব্য করছেন। প্রকাশ্যে নারীদের বিবস্ত্র করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা সভ্যতা ও ভদ্রতার সীমা লঙ্ঘন করছে। নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্য মাঠের কর্মীদের আচরণকে প্রভাবিত করছে।
তিনি নিজের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, “নির্বাচনী আচরণবিধিতে সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে রঙিন বিলবোর্ড লাগানো যায়। আমি সেই নিয়ম মেনে বিলবোর্ড টানিয়েছি। শুধু আমি নই, অন্যরাও করেছি।”
চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামুনুল হক বলেন, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২০টি বিলবোর্ড লাগাতে পারবেন। কেউ প্রমাণ করতে পারলে আমি সব বিলবোর্ড সরিয়ে দেব। তবে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রকাশ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘোষণা দিয়েছেন এবং কমপক্ষে ২৬টি বিলবোর্ড লাগানো হয়েছে। এই ধরনের পদক্ষেপ আইনের প্রতি অবজ্ঞা এবং চরম ধৃষ্টতা প্রদর্শন করছে। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচন কমিশন তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেবে।