চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই–মার্চ) পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ ও সহায়তা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে দেশটি ৬.৫৯৪ বিলিয়ন ডলার বিদেশি ঋণ ও সহায়তা পেয়েছে।
তবে এর মধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে পাওয়া ১.২ বিলিয়ন ডলার এবং সৌদি আরবের ৩ বিলিয়ন ডলারের আমানত এই হিসাবে অন্তর্ভুক্ত নয়। এগুলো যোগ করলে মোট বিদেশি সহায়তার পরিমাণ ৯.৭ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি দাঁড়ায়।
পাকিস্তান সরকারের তথ্য উদ্ধৃত করে ‘ডন’ জানায়, গত অর্থবছরের একই সময়ে দেশটির বিদেশি সহায়তা ছিল ৫.৫০৭ বিলিয়ন ডলার। সেই তুলনায় এবার প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯.৭ শতাংশ।
মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মার্চ মাসে পাকিস্তান ৭৩১.৩ মিলিয়ন ডলার বিদেশি সহায়তা পেয়েছে, যা ফেব্রুয়ারির ৬৯২ মিলিয়ন ডলার এবং আগের বছরের একই মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
তবে অনুদানের ক্ষেত্রে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে অনুদান কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১০০.৩ মিলিয়ন ডলারে, যেখানে আগের বছর ছিল ১৩৫.৬ মিলিয়ন ডলার।
ঋণদাতাদের মধ্যে বিশ্বব্যাংক এ সময়ে সবচেয়ে বড় সহায়তা দিয়েছে, ১.২০৫ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তা ৬৪ শতাংশ কমে ৭২৭ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের মোট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩৮ বিলিয়ন ডলার।
এদিকে তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ একই সময়ে প্রায় ৭৮.০৭ বিলিয়ন ডলার বলে সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।





