স্থানীয় সময় সোমবার (১১ মে) যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য জানিয়েছে। আমিরাত এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে হামলার কথা স্বীকার করেনি।
ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল বলেছে, আমিরাতের হামলার মধ্যে ছিল ইরানের লাভান দ্বীপের একটি তেল শোধনাগার।
এই হামলাটি হয় এপ্রিলের শুরুর দিকে। তখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হামলাটি যুদ্ধবিরতির আগে নাকি পরে হয়েছে সেটি স্পষ্ট করেনি সংবাদমাধ্যমটি।
তেল শোধনাগারটি হামলার পর ইরান জানিয়েছিল, অজ্ঞাত শত্রুরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে তারা কুয়েত ও আমিরাতে ব্যাপক মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালায়।
তেল শোধনাগারে আমিরাতের হামলা এত বড় ছিল যে সেটি বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়। আর ওই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ইরানের ভালো সময় লাগে।rnrn
যুক্তরাষ্ট্রের একটি সূত্র জানিয়েছেন, আমিরাত হামলা চালানোর পর ডোনাল ট্রাম্প বিষয়টিকে বেশ ইতিবাচক হিসেবে নেন। কারণ উপসাগরীয় অন্য আরব দেশগুলো তাদের সঙ্গে যোগ দিতে অস্বীকতি জানিয়েছিল।
এ ব্যাপারে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল। কিন্তু তারা কোনো মন্তব্য করেনি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও হামলার ব্যাপারে কথা বলেনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর আমিরাতে প্রায় সাড়ে ৫০০ মিসাইল এবং ২ হাজার ২০০ ড্রোন নিক্ষেপ করে ইরান। যেগুলো মূলত দেশটিতে থাকা মার্কিন অবকাঠামো লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল।





