রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের চিকিৎসকদের কোয়ার্টার থেকে অনৈতিক কাজের অভিযোগে আইসিইউ ইউনিটের ইনচার্জ ডা. এ বি এম মারুফুল হাসানকে এক নারীর সঙ্গে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় তাদের আটক করা হয়।
ডা. মারুফুল হাসান ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, রমেক হাসপাতালের আবাসিক কোয়ার্টারে সন্দেহজনকভাবে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন ডা. মারুফ। বিষয়টি স্থানীয়দের দৃষ্টিগোচর হলে তারা সেখানে উপস্থিত হয়ে দুজনকে হাতেনাতে আটক করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেন।
ঘটনাস্থলে দ্রুত ছুটে যান রমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান। তিনি ঘটনার বিস্তারিত খোঁজখবর নিয়ে দুজনকেই পুলিশের হাতে তুলে দেন।
আটকের পর ডা. মারুফুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মেয়েটি আমার পূর্বপরিচিত। তার বাবার অসুস্থতা নিয়ে কথা বলার জন্য সে আমাকে ফোন দেয়। তাই আমি এখানে আসি। মাঝেমধ্যে সে এই ফ্ল্যাটে আসে।’
আটক নারীও পূর্বপরিচয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, ‘আমি তাকে (চিকিৎসককে) আগে থেকেই চিনি। একজন মেয়ে এমনি এমনি কোনো পুরুষের রুমে আসে না, এটা বুঝতে হবে।’
রংপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রমেক পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান বলেন, ‘যেহেতু একটি ঘটনা ঘটেছে, আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।’
ঘটনার পর রমেক হাসপাতাল এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।





