অভয়া-কাণ্ডের পর তাকে অনেকে সম্ভাব্য রাজনৈতিক মুখ হিসেবে দেখেছিলেন। কিন্তু সোহিনী সরকার জানিয়ে দিলেন, বাইরে থেকে যত চাপই আসুক, তিনি রাজনীতিতে পা রাখবেন না। অভিনেত্রীর ভাষায়, তিনি সামাজিক ইস্যুতে কথা বলবেন, কিন্তু কোনো দলের হয়ে নয়।

২) “রাজনীতিতে গেলে শিল্প হারাব”-সোহিনীর মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক :

সোহিনী সরকারের মন্তব্যে টলিউডে আলোচনার ঝড় উঠেছে। তিনি বলেন, রাজনীতিতে যোগ দিলে তার শিল্পীসত্তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে অভিনেত্রীদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

৩) রাজনৈতিক প্রস্তাব পাচ্ছেন? নীরব থাকতে চান না সোহিনী :

টলিউডের একাধিক তারকা রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ছিল সোহিনীকে ঘিরে। অভিনেত্রী জানান, অফার আসুক বা না আসুক, সিদ্ধান্ত একটাই-তিনি দলের রাজনীতিতে নেই এবং যাবেনও না।

৪) তৃণমূল নেতার সঙ্গে নাচের ভিডিওর ব্যাখ্যা দিলেন সোহিনী, গুঞ্জন থামছে না :

চলচ্চিত্রের প্রচারের একটি সাধারণ নাচের ভিডিও নিয়েই তৈরি হয় রাজনৈতিক জল্পনা। সোহিনী বলেন, “এটা ছিল শুধুই ইভেন্টের অংশ, এর সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নেই।” তবুও সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা চলছেই।

৫) ‘রঘু ডাকাত’ প্রচারে সোহিনীকে ঘিরে রাজনৈতিক মন্তব্যে ক্ষোভ অনুরাগীদের :

তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের মন্তব্যের পর সোহিনীর অনুরাগীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। তারা বলছেন, একজন অভিনেত্রীর প্রতিটি কাজ রাজনীতির চশমায় দেখাটা অযৌক্তিক।

৬) টলিউডে রাজনীতিতে যোগ না দেওয়া বিরল, ব্যতিক্রম সোহিনী :

টলিউডে এখন অনেকের রাজনৈতিক যাত্রা। দেব, মিঠুন, কৌশিক সেন, লাভলি মৈত্র-দীর্ঘ তালিকা। কিন্তু সোহিনী সরকার বললেন, তিনি সেই পথে যাচ্ছেন না। শিল্পী হিসেবে তার স্বাধীনতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

৭) সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশংসা: ‘দলমুক্ত কণ্ঠই সোহিনীর শক্তি’ :

সোহিনীর সাক্ষাৎকার ভাইরাল হওয়ার পর বহু নেটিজেন তার প্রশংসা করছেন। তারা বলছেন, পক্ষপাতহীন থাকা আজকের দিনে বিরল সাহসিকতা, এবং সোহিনী সেই জায়গাটায় থাকতে চাইছেন।

৮) “দলে গেলে চুপ থাকতে হবে”-রাজনীতির সীমাবদ্ধতা নিয়ে খোলামেলা সোহিনী :

অভিনেত্রী জানান, রাজনীতিতে গেলে তার বক্তব্যকে দলের অবস্থান দিয়ে বিচার করা হবে। এতে তিনি নিজের সত্যিকারের কণ্ঠ হারাতে চান না। এত স্পষ্ট মন্তব্যে টলিউডে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

৯) অভিনয়জীবন নিয়েই ব্যস্ত, রাজনীতিতে আগ্রহ নেই: সোহিনীর ঘনিষ্ঠরা :

অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, সোহিনীর হাতে এখন একাধিক ওয়েব সিরিজ ও চলচ্চিত্রের কাজ। সেই ব্যস্ততার মধ্যেও তাকে বারবার রাজনৈতিক গুঞ্জনে টেনে আনা হচ্ছে, যা তাকে বিব্রত করছে।

১০) শুধু সামাজিক ইস্যুতে সরব থাকতে চান, রাজনীতির মাঠে নয় :

সোহিনী বলেন, মানুষের সমস্যার কথা তিনি বলবেন। অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করবেন। কিন্তু তা কোনো দলের হয়ে নয়। তার মতে, সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে রাজনৈতিক পরিচয় প্রয়োজন নেই।