জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সিভিল সার্ভিসে লটারির মাধ্যমে কখনোই পদায়ন হয়নি, বর্তমানে হচ্ছে না এবং ভবিষ্যতেও হবে না।


\r\n

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।


\r\n

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সে প্রেক্ষিতে মাঠ প্রশাসনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কিছু রদবদল হয়ে থাকে। তবে, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদে লটারির মাধ্যমে কোনো পদায়ন বা বদলি হয়নি, আর ভবিষ্যতেও হবে না।


\r\n

সচিব জানান, সরকার আগামী জাতীয় নির্বাচনকে একটি রোল মডেল নির্বাচন হিসেবে আয়োজন করতে চায়। সে অনুযায়ী মাঠ প্রশাসনকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


\r\n

তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় বড় ধরনের প্রশাসনিক রদবদলের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। এ সময় বদলিতে তদবির বা কারও ব্যক্তিগত মতামলের সুযোগ থাকবে না। যাকে যেখানে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাকে সেখানে যোগ দিতে হবে।


\r\n

মাঠ প্রশাসনের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, ইউএনওরা হচ্ছেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার, আর ডিসিরা রিটার্নিং অফিসার। একজন ডিসি নিয়োগের জন্য রয়েছে সাত সদস্যের জনপ্রশাসন সংক্রান্ত কমিটি এবং আলাদা পাঁচ সদস্যের ডিসি সিলেকশন কমিটি। প্রথমে ‘ডিসি ফিট লিস্ট’ তৈরি হয়, এরপর সেটি কমিটিতে তোলা হয় এবং যাচাই-বাছাই শেষে ডিসি নিয়োগের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। অনুমোদনের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে।


\r\n

তিনি বলেন, এই পুরো প্রক্রিয়া কোনো ব্যক্তির একক সিদ্ধান্তে নয়, বরং এটি একটি কাঠামোবদ্ধ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যার বিভিন্ন ধাপে বিভিন্ন সংস্থা ও কমিটি যুক্ত থাকে।