দেশে সুস্থ-দেখা মানুষের মধ্যেও হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, ধমনীর ব্লকেজ অনেক সময় আগাম কোনও সংকেত দেয় না। বুকে ব্যথা, ঘাম বা শ্বাসকষ্ট না থাকলেও ধমনীর ভিতরে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে। এজন্য জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

ধমনীর ব্লকেজের অন্যতম কারণ ক্যালসিফিকেশন। ভিটামিন কে-২ শরীরের ক্যালসিয়ামকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করে, ফলে ধমনীর ভেতরে ক্যালশিয়াম জমা কমে। ডিমের কুসুম, মুরগির লিভার, পালং শাক ও ব্রকলিতে এই ভিটামিন পাওয়া যায়। হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে নিয়মিত এসব খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

চিকিৎসকদের মতে, অত্যধিক পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট হৃদযন্ত্রের জন্য আরও ঝুঁকিপূর্ণ। সাদা পাউরুটি, কেক, পেস্ট্রি, মিষ্টি ও সফট ড্রিংকস শরীরে প্রদাহ বাড়ায় এবং ধমনীর ভিতরে রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বাড়ায়। বিশেষজ্ঞরা এসব খাবার কমিয়ে প্রাকৃতিক ও আঁশযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।

বাড়তি ওজন ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা ধমনীর ব্লকেজের বড় কারণ। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা বা জগিং, সাঁতার বা সাইক্লিং করলে হার্টের কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং ব্লকেজের ঝুঁকি কমে। যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি তুলনামূলক কম, বলে জানাচ্ছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা।