মঙ্গলবার (৯) ডিসেম্বর দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে বাড়ির পাশে ঘাস ক্ষেতে সাপে কামড় দেয় শিশু শিখা মনিকে। তার নানী শাহনাজ বেগম জানান, আমার প্রতিবন্ধী মেয়ে জেসমিন আক্তার একমাত্র কন্যা ছিল শিখা মনি। দুপুরের দিকে বাড়ির পাশে সাপ কামড় দেয়ার নাতনিকে সাভার উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যাই।
সেখানে ডাক্তার সাহেব একটি ওষুধ দিয়ে বলে এটা দুই বেলা খাওয়াবেন ঠিক হয়ে যাবে। পরে আমার নাতনিকে বাসায় নিয়ে আসি। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে সাভারের বেসরকারি এনাম মেডিকেলে নিয়ে যাই। পরে সেখানকার ডাক্তার জানায় আপনারা দ্রুত শিশুটিকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যান। পথে এই যানজটের মধ্যে আমার নাতনিকে তারপরেও নিয়ে যাই সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে।
সেখানে গেলে চিকিৎসকরা জানান আমাদের কাছে ভ্যাকসিন নেই দ্রুত তাকে মহাখালী হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে আমরা রাস্তায় শত যানজটের মধ্যেও আমার নাতনিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাই মহাখালী হাসপাতালে। সেখানে গেলে চিকিৎসক আমাদেরকে জানায় ওখানেও সাপের ভ্যাকসিন নেই। সেখান থেকে এই সারাদিন কষ্ট করে আমাদেরকে পাঠানো হয় ঢাকা মেডিকেলে। পরে ঢাকা মেডিকেলে আমার নাতনিকে নিয়ে আসলে জরুরী বিভাগের চিকিৎসক জানায় আমাদের শিখা বেঁচে নেই।
এত বড় দেশে সাপের ভ্যাকসিন নেই আমরা কেমনে কারে কমু, এখন ওর বাবারে আমরা কি কমু, ওর মাও তো শারীরিক প্রতিবন্ধী, খালি ফেল ফেল করে চাইয়া থাকে আর সন্তানের জন্য চোখ দিয়ে পানি পড়ে, এই বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।





