দেশের বিভিন্ন স্থানে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
গাইবান্ধায় ৫ জন, সিরাজগঞ্জে ২ জন, বগুড়ায় ১ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ১ জন, পঞ্চগড়ে ১ জন চা শ্রমিক এবং জামালপুরে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গাইবান্ধায় সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নে বজ্রপাতে তিনজন নিহত হন। তারা হলেন ফুয়াদ (১৪), রাফি (১৫) ও মিজান (২০)। একই সময় ফুলছড়ি উপজেলার জামিরা চরে মানিক হোসেন (২২) এবং সাঘাটায় নম্বার আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় বজ্রাঘাতে সেলিনা আক্তার নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, তিনি বাড়ির বাইরে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় চা বাগানে কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে সোহরাওয়ার্দী (৩৫) নামের এক চা শ্রমিক নিহত হন। এ ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক আহত হয়েছেন।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতে কৃষক আব্দুল হামিদ (৫০) ও হাসান আলী (২৪) নিহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, তারা মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আক্রান্ত হন।
জামালপুরের মেলান্দহ ও সদর উপজেলায় বজ্রপাতে গৃহবধূ মর্জিনা বেগম (৪০) ও কৃষক হাসমত আলী (৪৫) নিহত হন।
স্থানীয় হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিস্থিতিতে বজ্রপাত থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।





