ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের অধ্যাদেশ জারির দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিন সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্তরা সাত কলেজের শিক্ষার্থী বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে আন্দোলনকারীরা মোড় অবরোধ করেন। পরে দুপুর আড়াইটার দিকে আটকে থাকা ঢাবি’র একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী প্রক্টর রফিকুল ইসলাম জানান, “‘অর্জন’ নামের বাসে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ফলে দুটি জানালার কাচ ভেঙে যায় এবং বাসের বাইরের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।”
বাসটি হাজারীবাগের লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট থেকে ঢাবি ক্যাম্পাস রুটে চলাচল করছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো একটি ভিডিওতে দেখা যায়, অবরোধে আটকে থাকা বাসটির চারপাশে ছাত্রদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হাতাহাতি হচ্ছে, এবং বাসে ইটপাটকেল ও জুতা ছোড়া হচ্ছে।
ঢাবি পরিবহন দপ্তরের পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, “বাসের পেছনের কাচ পুরোপুরি ভেঙে গেছে, দরজা ও বাইরের অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা ভিড়ে পড়ায় আমরা কিছু করতে পারিনি।”
বাসে থাকা একজন শিক্ষার্থী রাইসুল ইসলাম ফেসবুকে জানান, “ঢাকা কলেজের সামনে কয়েক দিন ধরে বাস আটকে রাখা হয়েছিল। পরে প্রক্টরিয়াল টিম বাস উদ্ধার করতে গেলে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়।”
ডাকসুর সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন, “আন্দোলনের নামে ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস হামলা ও বাস ভাঙচুর চালানো হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনা উচিত।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনাস্থল পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।





