বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে ঢাকা ফেরার পথে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। তার আগমনকে ঘিরে সিলেট বিমানবন্দরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক হাফিজ আহমদ জানিয়েছেন, বিমানের সব টিকিট ইতোমধ্যেই শেষ এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্বও বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ভিড় না করার জন্য আগে থেকেই নির্দেশ দিয়েছেন।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ, বিমানবন্দর পুলিশ, এভিয়েশন সিকিউরিটি, আরএপিবি এবং সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সদস্যদের সমন্বয়ে বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। প্রবেশপথে যানবাহন তল্লাশি, যাত্রী পরিচয় যাচাই এবং টার্মিনালের ভিতরে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

দলের পক্ষ থেকে সকল নেতা-কর্মীকে বিমানবন্দরে সমবেত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও মহানগর সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী যৌথভাবে এই নির্দেশ দিয়েছেন।

ঢাকায় তার সংবর্ধনায় অংশ নিতে সিলেট থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী রাজধানীমুখী হয়েছেন। তারা বিমান, ট্রেন, বাস এবং ব্যক্তিগত যানবাহনে ঢাকা যাচ্ছেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, তিনি এবং প্রায় পাঁচ হাজার নেতাকর্মী ইতোমধ্যেই ঢাকায় পৌঁছেছেন। বাকিরা রাতের মধ্যে বিশাল বহর নিয়ে রওনা হয়েছেন।

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, সিলেট বিভাগের চার জেলা—সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার থেকে নেতাকর্মীরা রাজধানীতে যাচ্ছেন। শান্তিপূর্ণ যাত্রা নিশ্চিত করতে দলীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রাখা হচ্ছে।