মুহাম্মাদ মুজাহিদুল ইসলাম বাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি :
ভারতীয় পাহাড়ি ঢল আর আশে পাশে অপরিকল্পিতভাবে মাটি কাটার কারণে মাত্র দুই দশকেই ভেঙে গেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল গ্রামের সেতুটি। এরপর যেন দুর্ভোগ নেমে আসে কয়েক গ্রামের মানুষের। দুই বছরেরও বেশি সময় এভাবে চলতে থাকলেও ওই সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেই।
কেউ মারা গেলে লাশ নিতে হয় নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো বেয়ে। জমির ধান কেটে সাঁকো বেয়ে আসাটাও কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। কোমলমতি শিশুরা বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসা করতে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া-ধরখার সড়কের মোগড়া রেলগেইট গিয়ে বা দিকে মোড় নিলে গঙ্গাসাগর রেলওয়ে স্টেশন।
পশ্চিমে জাঙ্গাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ভাঙাচুরা পথ ধরে যাওয়ার সময় এক অটোরিকশা চালক বেশ হাঁকডাক দিয়েই বললেন, ‘যান ভাই যান। এই বিরিজ নিয়া লেকলে দোয়া পাইবেন।’ ভাঙা সেতুর ধারেই কিছু চেয়ার বিছিয়ে বসে আছেন এলাকার কয়েকজন। জানালেন, এ প্রতিবেদক আসার খবরটি তারা আগে থেকে জানতেন।
রবিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জাঙ্গাল গ্রামের দক্ষিণ-পশ্চিমপ্রান্তে সেতুটি ভেঙ্গে পানিতে পড়ে আছে। একপাশে সেতুর পিলার দেখা যায়। অন্যপ্রান্তে সেটির দেখা নেই। সেতুর একটি অংশ পানির নিচে ডুবে আছে।
ওপারেই ঈদগাহ ও কবরস্থান। কয়েকটি গ্রামের মানুষ এ পথ দিয়েই চলেন। সেতু ভেঙ্গে যাওয়ায় পর এখানে একটি সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে।
ঘুরে দেখার সময় এক কথা বলতে ছুটে আসেন মো. শাহ আলম নামে এক কৃষক। তিনি বলেন, ‘ভাই, আমডার এমেদার মাইনসের কষ্টের শেষ নাই। হেদিন ইউসুফ ভাইয়ের লাশ পার করার সময় যেই কষ্ট হইছে। অনেকভাবে নেওয়ার চেষ্টা করতাছিলো মাইনসে। আমি সামনে আয়ইয়া গিয়া কোনো রহমে আমডা পার করছি। এমনে কি





