১৫৬ জন নাগরিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে গ্রেপ্তার করার প্রতিবাদে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। মঙ্গলবার প্রকাশিত বিবৃতিতে তারা সন্ত্রাস বিরোধী আইন সংস্কারের কথাও উল্লেখ করেছেন।
শুক্রবার বিকালে চানখাঁরপুল মোড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানোর সময় ইমি ও মামুনকে আটক করা হয়। এই সময় ডাকসু নির্বাচনে বাম সংগঠনগুলোর ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী ইমি এবং কয়েকজন শিক্ষার্থী রিকশায় মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি পালন করছিলেন। শাহবাগ থানার সামনে পুলিশের মারধরের পর তাদের আটক করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নির্বাচিত সরকার গণতান্ত্রিক ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার করলেও এই ঘটনায় পুলিশ তাদের নিরাপত্তা প্রদান করেনি। ইমি কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন, বরং তিনি বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। মামুনও গণ-অভ্যুত্থানে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “মব সৃষ্টি করে যে সন্ত্রাসী কাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। হাসিনার আমলের সন্ত্রাস দমন আইন সংস্কারের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক করা বর্তমান সরকারের দায়িত্ব।”
বিবৃতিতে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন লেখক ও অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, খালিকুজ্জামান ইলিয়াস, আজফার হোসেন, কামরুল হাসান মামুন, রাজু আলাউদ্দিন, আহমাদ মোস্তফা কামাল, সহযোগী অধ্যাপক মোশাহিদা সুলতানা, লেখক ও বিশ্লেষক ফিরোজ আহমেদ, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট সাহেদ আলম, সংগীতশিল্পী অরূপ রাহী, রায়হান রাইন, কবি সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, জিএইচ হাবীব, খালেদ হোসাইন, নূরুল আলম আতিক, আফসানা বেগম এবং বর্ণালী সাহা।
বিবৃতিটি সংবাদমাধ্যমে পাঠিয়েছেন আজফার হোসেন, জিএইচ হাবীব, নাহিদ হাসান এবং ধ্রুব সাদিক।





