২০২৬ সালের শুরুতেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে। ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর বাড়তি চাহিদার প্রভাবে মূল্যবান এই ধাতুর দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।
\r\nশনিবার (২ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৭২ দশমিক ৩৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
\r\nরয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শক্তিশালী ক্রয়চাপই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ।
\r\nএদিকে ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৮৪ দশমিক ৮০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
\r\nকেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, মূল্যবান ধাতুর বাজার অনেকটাই ২০২৫ সালের ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সাল শুরু করেছে।
\r\nউল্লেখ্য, ২০২৫ সালে বুলিয়ন বাজারে স্বর্ণের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। বছর শেষে স্বর্ণের বার্ষিক মূল্যবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৬৪ শতাংশে, যা ১৯৭৯ সালের পর সর্বোচ্চ।
\r\nবিশ্লেষকদের মতে, গত বছর সুদের হার কমানো, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত শিথিলতার প্রত্যাশা, ভূরাজনৈতিক সংঘাত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং এক্সচেঞ্জ-ট্রেডেড ফান্ডে (ইটিএফ) বিনিয়োগ বাড়ার কারণে স্বর্ণের দামে এই অভূতপূর্ব উত্থান ঘটে।
\r\nএ ছাড়া প্রায় দুই মাস পর চলতি সপ্তাহে প্রথমবারের মতো ভারত ও চীনের প্রধান বাজারগুলোতে প্রিমিয়ামে স্বর্ণের লেনদেন হয়েছে। সর্বকালের সর্বোচ্চ দাম থেকে কিছুটা কমে আসার পর খুচরা চাহিদা বাড়তে শুরু করেছে, যা এর আগে উচ্চ দামের কারণে কিছুটা চাপের মুখে ছিল।





