চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়ার গ্রেপ্তারকে ‘মনোযোগ ভিন্ন খাতে নেওয়ার প্রচেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, “নুসরাত ফারিয়াকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে বোঝাতে চাচ্ছেন আপনারা খুব বিচার করছেন? এগুলো আসলে বিচার নয়, বরং মনোযোগ ঘোরানোর কৌশল—হাসিনা স্টাইলে।”

\r\n

সোমবার (১৯ মে) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

\r\n

পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, “সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত খুনিদের নিরাপদে দেশ ছাড়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। শিরীন শারমিনকে রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে বাড়িতে গিয়ে পাসপোর্ট করে দেওয়া হয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরুই হয়নি, যা জানুয়ারিতে শুরুর কথা ছিল।”

\r\n

তিনি আরও বলেন, “ইন্টেরিম সরকার বলছে ৬২৬ জনের একটি তালিকা রয়েছে। সেই ৬২৬ জনকে নিরাপদে বের করে দিয়ে এখন নুসরাত ফারিয়ার মতো একজন অভিনেত্রীকে গ্রেপ্তার করে নাটকীয়ভাবে বিচারপ্রক্রিয়া দেখানো হচ্ছে।”

\r\n

রোববার (১৮ মে) দুপুরে থাইল্যান্ড যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াকে আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে তাকে রাজধানীর ভাটারা থানায় হস্তান্তরের পর ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

\r\n

২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর ভাটারা থানাধীন এলাকায় সংঘটিত এক হত্যাচেষ্টা মামলায় নুসরাত ফারিয়াসহ ১৭ জন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৩ জন আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, তারা আন্দোলন দমনে আর্থিক ও প্রভাবশালী সহায়তা দিয়েছেন।