জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) ফেসবুকে একটি পোস্টে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

\r\n

পোস্টে মাসউদ বলেন, \"ট্রাকে করে বহিরাগত এনে ভিসি স্যারের বাসভবনের সামনে অবস্থান করা, তারপর আবার ফ্যাকাল্টিতে গিয়ে হুমকি-ধমকি দিয়ে ক্লাস পরীক্ষা বন্ধ করার চেষ্টা করা—এখন আর কত?!\"

\r\n

তিনি যোগ করেন, \"যাই করেন, ছাত্রলীগ হইতে যাইয়েন না!\"

\r\n

এদিকে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে লক্ষ্য করে বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, \"সমালোচনা গণতান্ত্রিক অধিকার, তবে শারীরিক লাঞ্ছনা বর্বরতা, এবং সেটির কোনো যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা নেই।\"

\r\n

বুধবার (১৪ মে) রাত ১১টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ কথা বলেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, \"একজন রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি হিসেবে মাহফুজ আলম সমস্যা সমাধানে গিয়েছিলেন, তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।\"

\r\n

তিনি আরও বলেন, \"এটা স্পষ্টভাবে মনে রাখা প্রয়োজন—আপনাদের প্রতিনিধিত্বের দাবি করেই তিনি আপনাদের কাছে এসেছেন। তবে এ ধরনের উগ্র ও হঠকারী আচরণ ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের গ্রহণযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করবে।\"

\r\n

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, \"মাহফুজ আলম আইনি পথে হাঁটবেন কি না জানি না, তবে আন্দোলনের নেতৃত্বের উচিত প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করা এবং ভবিষ্যতে এমন ন্যক্কারজনক আচরণ পুনরাবৃত্তি না হওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া।\"

\r\n

তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের আচরণেও সন্দেহ প্রকাশ করেন। \"সকল জনদাবির সম্মুখে ছাত্র উপদেষ্টাদের ঠেলে দিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও কেন এখনো যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, সেটি এই অন্তর্বর্তী সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে।\"