মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে 'ধুরন্ধর ২'। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ছবিটি হাজার কোটি রুপি আয় করেছে। এদিকে ছবিটি নিয়ে পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ নাবিল গাবোল সমালোচনার মুখে পড়েছেন। অনেকের ধারণা, ছবিতে রাকেশ বেদি অভিনীত 'জামিল জামালি' চরিত্রটি তাঁর সঙ্গে মিল রয়েছে, বিশেষ করে গল্পের সময় তিনি করাচির লিয়ারি এলাকার এমএনএ ছিলেন। এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, 'ভারত পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে পারে না, তাই সিনেমায় যুদ্ধ জয় করে।'
সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের সঙ্গে আলাপে গাবোল বলেন, চরিত্রটি যেভাবে দেখানো হয়েছে, তাতে তিনি সন্তুষ্ট নন। তিনি বলেন, 'তারা (ভারত) পাকিস্তান বা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই করতে পারে না, তাই একটি সিনেমা বানিয়েছে। এর মাধ্যমে তারা লিয়ারিকে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত করেছে। লিয়ারির মানুষ এসব নিয়ে মাথা ঘামায় না, তারা অনেক শক্ত। আমার চরিত্রে একজন কমেডিয়ান, রাকেশ বেদিকে নেওয়া হয়েছে এবং তাকে নাবিল গাবোল হিসেবে দেখানো হয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'রাকেশ বেদি বলেছেন, তিনি শুধু আমাকে নয়, সব পাকিস্তানি রাজনীতিবিদদের মিলিয়ে চরিত্রটি করেছেন। কিন্তু ২০০৭ সালে লিয়ারির এমএনএ ছিলাম আমি।' সামাজিক মাধ্যমে ট্রলিং নিয়েও কথা বলেন গাবোল। তিনি বলেন, 'ভারতীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই জিজ্ঞাসা করছে, নাবিল গাবোল কেন চুপ। আমি জোরালো জবাব দেব। যেমন পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জবাব দিয়েছে, আমিও লিয়ারি আসলে কী, তা দেখাব।' তিনি জানান, নিজের অবস্থান তুলে ধরতে একটি সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা করছেন, যার সম্ভাব্য নাম 'লিয়ারি কা গব্বর'।
এর আগে 'ধুরন্ধর' প্রথম কিস্তি মুক্তির সময়ও তিনি একই ধরনের আপত্তি তুলেছিলেন। তখন তিনি বলেন, 'আমার চরিত্রকে সঠিকভাবে দেখানো হয়নি। আমি অনেক দাপুটে ছিলাম, কিন্তু সেটি ঠিকভাবে তুলে ধরা হয়নি।'
আদিত্য ধর পরিচালিত 'ধুরন্ধর ২' মুক্তি পায় ১৯ মার্চ। মুক্তির প্রথম দিনেই ছবিটি আয় করে ১০২ কোটি ৫৫ লাখ রুপি। শুধু ভারতে নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও ভালো পারফরম্যান্স করছে ছবিটি। 'ধুরন্ধর' ফ্র্যাঞ্চাইজিতে রণবীর সিং একজন ভারতীয় গুপ্তচরের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যার গল্প করাচির লিয়ারি এলাকাকে কেন্দ্র করে। ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন অর্জুন রামপাল, অক্ষয় খান্না, সারা অর্জুন ও সঞ্জয় দত্ত।





