মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সৌদি আরব, লেবানন ও কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত অঞ্চল ত্যাগ করে বাণিজ্যিক ফ্লাইটে দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে।

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, মিসর, ইরাক, জর্ডান, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারসহ বিভিন্ন দেশে থাকা নাগরিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে দ্রুত চলে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এর জবাবে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। দুবাইয়ে মার্কিন দূতাবাসের পাশে ড্রোন আঘাত হানার ঘটনাও ঘটেছে।

রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলায় ভবনের অংশে অগ্নিকাণ্ড ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। পাশাপাশি জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, সরাসরি নাগরিক সরিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা তাদের নেই।

এদিকে পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেট ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে, যা কয়েক স্থানে সহিংসতায় রূপ নেয়।

সংকটের প্রেক্ষাপটে সামরিক অভিযান দীর্ঘ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে মার্কিন কংগ্রেসের কিছু আইনপ্রণেতা প্রশাসনের প্রস্তুতি ও কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

মার্কিন সামরিক পরিবহন কর্মসূচি এখনো সক্রিয় না হলেও নাগরিকদের সরিয়ে নিতে চার্টার ও সামরিক বিমান প্রস্তুতের পরিকল্পনা চলছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, অভিযান দ্রুত শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।