জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এখন জাতীয় পার্টির কাঁধে ভর করতে চাইছে।


\r\n

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে যুব জাগপার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।


\r\n

রাশেদ প্রধান বলেন, “ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে যদি নতুন করে কেউ ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি করতে চায়, তবে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার মতোই তাকে প্রতিরোধ করা হবে, ইনশাআল্লাহ। দিল্লিতে বাংলাদেশবিরোধী সম্মেলন চলছে, আওয়ামী লীগ দেশে ঝটিকা মিছিল করছে, ভিপি নুরের ওপর হামলা হয়েছে—সব মিলিয়ে পতিত আওয়ামী লীগ এখন জাতীয় পার্টির কাঁধে ভর করার চেষ্টা করছে। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারও নিন্দা-প্রতিবাদের নতুন মন্ত্রণালয় খুলেছে।”


\r\n

তিনি আরও বলেন, “আন্দোলন-সংগ্রাম বা গুলি খাওয়ার সময় ছাত্র, যুবক ও শ্রমিকদের সামনের কাতারে দাঁড় করানো হয়, আর পুরস্কার নেওয়ার সময় জাতীয় নেতারা এগিয়ে আসেন। নির্বাচন ঘনিয়ে আসলেই কিছু নেতা নিজেদের স্বার্থে মাথা বিক্রির বাজার বসান। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে নেতারা এখন ক্ষমতার রাজনীতিতে ব্যস্ত। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে চিরতরে নিষিদ্ধ করতে হবে। ছাত্র-যুবকরা সচেতন থাকবেন, ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।”


\r\n

সভায় যুব জাগপার সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন জাগপার প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, হাজি মো. হাসমত উল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিদুর রহমান বাবলা, আরিফ হোসেন ফিরোজ, ঢাকা মহানগর জাগপার আহ্বায়ক শ্যামল চন্দ্র সরকার, সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম হাসু, শ্রমিক জাগপার সভাপতি আসাদুজ্জামান বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন, জাগপা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুর রহমান ফারুকী, এবি যুব পার্টির সভাপতি শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, জাতীয় যুব সংহতির (পার্থ) সভাপতি হারুন অর রশিদ, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মঞ্জুর মোরশেদ মামুন, যুব শক্তির যুগ্ম সদস্য সচিব (দপ্তর) মো. ইনজামুল হক, ইসলামি যুব আন্দোলনের জয়েন্ট সেক্রেটারি মুফতি রহমতুল্লাহ বিন হাবিব, ইসলামি যুব সমাজের সভাপতি মাসুদ খান, যুব আন্দোলন (এনডিএম)-এর সভাপতি আদনান সানি, যুব অধিকার পার্টির (পিআরপি) নজরুল ইসলাম সজিব, যুব জাগপার সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম ওলিউল আনোয়ার প্রমুখ।