সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত।


সোমবার (২৫ আগস্ট) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দিন মাহমুদের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়। এ সময় ২০ জন আসামি ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। বাদী ও আলিফের পিতা জামাল উদ্দিনও আদালতে হাজির ছিলেন।


বাদীপক্ষের আইনজীবী, সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানিয়েছেন, তদন্তে তিনজনের নাম ঠিকানা সঠিক না পাওয়া এবং মূল আসামি সুকান্ত দত্তের অব্যাহতির আবেদন করা হয়। তবে তদন্ত রিপোর্টে সুকান্তকে দুর্ধর্ষ আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা সুস্পষ্ট। এর ভিত্তিতে আদালত সুকান্ত দত্তসহ মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। বর্তমানে ২০ জন গ্রেপ্তার এবং ১৯ জন পলাতক।


প্রাথমিকভাবে ৩১ জনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করা হলেও নতুন তথ্য পাওয়ায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ আরও ১০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে মোট ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। চার্জশিটভুক্তদের মধ্যে রয়েছেন চন্দন দাশ মেথর, রিপন দাশ, রাজীব ভট্টাচার্য্য, শুভ কান্তি দাশ, আমান দাশ, রনব, বিকাশ, রমিত প্রকাশ দাস, নয়ন দাশ, ওমকার দাশ, বিশাল, সামীর, সোহেল দাশ, শিবা দাস ও দ্বীপ দাসসহ অন্যান্যরা।


মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ২৬ নভেম্বর চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন সংক্রান্ত সংঘর্ষের সময় আইনজীবী আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার ঘটনায় তাঁর পিতা জামাল উদ্দিন ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। এছাড়া পুলিশের ওপর হামলা, বিচারপ্রার্থীদের ওপর আক্রমণ এবং ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও পাঁচটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।