গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ঢাকায় জুলাই মাসের গণআন্দোলনের সময় ঘটে যাওয়া সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
প্রথমদিকে বন্দিজীবনে মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও এখন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পলক। তিনি বলেন, “আগে মন খারাপ হতো, এখন আর হয় না। নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি।”
বুধবার (৮ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে একটি মামলার শুনানিতে অংশ নিতে হাজির করা হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহের কথাও জানান সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী। এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি মাথা নাড়িয়ে ইতিবাচক সংকেত দেন।
রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় পলক ছাড়াও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম এবং সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজীকেও আসামি করা হয়েছে।
পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালতের বিচারক সাদেকুর রহমান তাদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। শুনানির সময় আসামিদের মাথায় হেলমেট ও বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ঢাকার মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে বৈষম্যবিরোধী এক শান্তিপূর্ণ মিছিলে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা গুলি চালালে মো. শাহজাহান নামে এক শ্রমিক গুলিবিদ্ধ হন। চার দিন পর তিনি হাসপাতালে মারা যান। পরে নিহতের মা সাজেদা বেগম বনানী থানায় ৯৭ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।





