বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) চায় সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হোক। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা এবং পর্যবেক্ষক পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। পাশাপাশি তারা সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলোচনা করবে।


বুধবার সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান আমীর খসরু।


তিনি জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির মনোনয়ন প্রক্রিয়া, সারাদেশের নির্বাচন পরিস্থিতি এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ইইউ চায় বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন হোক এবং গণতন্ত্র ফিরে আসুক।


আমীর খসরু বলেন, বিএনপির দেওয়া ২৩৭টি মনোনয়ন এখন পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য ও ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করেছে ইইউ। সময়মতো নির্বাচন আয়োজনের জন্য তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।


জুলাই সনদ প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, আলোচনা ও ঐকমত্যের ভিত্তিতেই জুলাই সনদে স্বাক্ষর হয়েছে। এর পরেও যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, তা বোধগম্য নয়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার পক্ষ থেকে গ্রহণযোগ্য সমাধান আসবে।


আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি নিয়ে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এখন আর নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেই, তাদের নেত্রীও দেশে নেই। তাই তাদের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলো যেন কঠোর অবস্থান নেয়, সেটাই প্রত্যাশা।


তিনি আরও বলেন, সারাদেশে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যে নির্বাচনী কার্যক্রম চলছে। নির্বাচন নিয়ে কোনো উৎকণ্ঠা নেই। যারা দেশে নেই বা নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত, তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। যে কেউ নাশকতা করতে পারে, তাই সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে শক্ত অবস্থানে থাকতে হবে।