ইবি প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থানবিরোধী ভূমিকায় থাকা ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তাদের বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বিএনপিপন্থি কর্মকর্তাদের একটি অংশ। তারা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সম্প্রতি সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ১১ জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা না নিতে সুপারিশ করেন এবং আগামী সিন্ডিকেট সভায় বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এই সুপারিশের মাধ্যমে বিএনপি কর্মকর্তাদের একটি অংশ আগের রাজনৈতিক সুবিধার ঋণ শোধ করতে চাচ্ছেন অন্যদিকে আওয়ামীপন্থিদের সহানুভূতি অর্জনের কৌশলও নিচ্ছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপিপন্থী কর্মকর্তা ওয়ালিউর রহমান পিকুল, মোহাম্মদ গোলাম মওলা, ওমর আলী, মীর সিরাজুল ইসলাম রিপু, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও আব্দুল লতিফ।
জানা গেছে, গত বছরের ৩০শে অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭১তম সিন্ডিকেট সভায় জুলাইবিরোধী ভূমিকার অভিযোগে ১৯ শিক্ষক ও ১১ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত এবং ৩৩ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এখন পর্যন্ত কেবল ১৮ জন শিক্ষককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে কর্মকর্তারা কেউই চিঠি পাননি। এর মধ্যেই বিএনপি ও জামায়াতপন্থি কর্মকর্তা সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্য উপাচার্যের কাছে গিয়ে শাস্তির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান।
বিএনপিপন্থী কর্মকর্তা মীর সিরাজুল ইসলাম বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানবিরোধী তালিকায় কোন নির্দোষ ব্যাক্তি যেন শাস্তি না পাই এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ভিসি স্যারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। আমাদের কাছে থাকা তথ্যমতে জুলাই অভ্যুত্থানবিরোধী তালিকায় যে ১১জন কর্মকর্তার নাম এসেছে তাদের মধ্যে ৭ থেকে ৮ জন কোন ধরনের জুলাইবিরোধী কাজে যুক্ত ছিলনা। কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন শাস্তির আওতায় না আসে সেটিই জানাতে গেছিলাম।
এসময় অনুরোধ না মানলে কর্মবিরতিতে যাবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নির্দেোষ ব্যক্তি শাস্তি পেলে অবশ্যই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।





