ইরানের ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বাণিজ্যে সহায়তার অভিযোগে ইরান ও ভেনেজুয়েলার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার এই দুই দেশের মোট ১০ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, এই অস্ত্র বাণিজ্য মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য গুরুতর হুমকি তৈরি করছে। খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে ভেনেজুয়েলার একটি কোম্পানি ও এর চেয়ারম্যান। তাদের বিরুদ্ধে ইরান থেকে ড্রোন কেনার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সংগ্রহে জড়িত তিনজন ইরানি নাগরিককেও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের আগেই নিষিদ্ধ ঘোষিত ‘রায়ান ফ্যান গ্রুপ’-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইরানভিত্তিক কয়েকজন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও নতুন করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এসব নিষেধাজ্ঞার মূল লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম ঘিরে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করা এবং তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানো।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান ভেনেজুয়েলাকে প্রচলিত অস্ত্র সরবরাহ করছে, যা পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের জন্য হুমকি। এই ধরনের বাণিজ্য বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।





