হামলার লক্ষ্যবস্তু
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এটিকে ‘প্রতিরোধমূলক আঘাত’ বলে দাবি করেছেন, যা ইরানের নিউক্লিয়ার স্থাপনা ও সামরিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে পরিচালিত। তেহরানের রিপাবলিক এলাকা ও আয়াতুল্লাহ খামেনীর অফিসের কাছাকাছি হামলার খবর নিশ্চিত করেছে ফার্স নিউজ এজেন্সি। ইরানের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং মোবাইল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।
ইরানের পাল্টা আঘাত
হামলার জবাবে ইরান ইসরায়েলে শতাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। দুবাই, দোহা, বাহরাইন ও কুয়েতে ইরানি হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা বাড়িয়েছে।
নেতাদের বক্তব্য
ট্রাম্প বলেছেন, এই অভিযান ইরানি শাসনের ‘আসন্ন হুমকি’ নির্মূল করবে এবং ইরানিদের জন্য ‘স্বৈরশাসন থেকে মুক্তির সুযোগ’ তৈরি করবে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানিদের ‘নিজেদের ভাগ্য নিজেরা গড়ার’ আহ্বান জানিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
ভারত সংযমের আহ্বান জানিয়েছে, যখন রাশিয়া এই হামলাকে ‘অনুচিত আগ্রাসন’ বলে নিন্দা করেছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ তথ্য এখনও প্রকাশিত হয়নি, তবে ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।





