যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা এবং ইরানের সমুদ্রবন্দরগুলোতে অবরোধের প্রেক্ষাপটে দেশটির জন্য স্থলপথে বাণিজ্যিক রুট উন্মুক্ত করেছে পাকিস্তান। এর ফলে পাকিস্তানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানে পণ্য পরিবহন ও ট্রানজিট সুবিধা কার্যকর হলো।
এই সিদ্ধান্তকে দুই দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ প্রয়োগের কৌশল কতটা প্রভাবিত হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
একই সময়ে, চলমান সংঘাত নিরসনে ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় যে আলোচনা চলছে, সেখানে পাকিস্তানের এই নতুন বাণিজ্যিক অবস্থান কী প্রভাব ফেলবে—তা নিয়েও কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত তেলের বাজার ও আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে, যা দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা





