ষষ্ঠ ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে শুটিং ও আর্চারি না থাকায় বাংলাদেশের পদক জয়ের আশা ছিল তুলনামূলক কম। তবে সেই শূন্যতা পূরণ করেছেন ভারোত্তোলক মারজিয়া আক্তার ইকরা। শনিবার (৮ নভেম্বর) গভীর রাতে সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত মেয়েদের ৫৩ কেজি ওজন শ্রেণির প্রতিযোগিতায় তিনটি ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন সেনাবাহিনীর এই ক্রীড়াবিদ।
ভারোত্তোলনে নিয়ম অনুযায়ী একজন খেলোয়াড় স্ন্যাচ, ক্লিন অ্যান্ড জার্ক এবং টোটাল (দুই লিফটের যোগফল) এই তিন বিভাগে তিনটি পদক জিততে পারেন। মারজিয়া স্ন্যাচে তুলেছেন ৭২ কেজি, ক্লিন অ্যান্ড জার্কে তুলেছেন ৯১ কেজি, আর মোট ১৬৩ কেজি ওজন তুলে তিন বিভাগেই ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন।
একই দিনে বাংলাদেশের আরও দুই ভারোত্তোলক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৪৮ কেজি ওজন শ্রেণিতে মোসাম্মত বৃষ্টি পঞ্চম এবং ৬০ কেজি শ্রেণিতে আশিকুর রহমান ষষ্ঠ স্থান অর্জন করেন।
তুরস্কের কোনিয়ায় অনুষ্ঠিত আগের ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে বাংলাদেশ পদক জিতেছিল আর্চারিতে। এবার সৌদিতে সেই খেলা না থাকায় সাফল্যের সম্ভাবনা ছিল সীমিত। তাই মারজিয়ার এই অর্জনকে অনেকেই একপ্রকার চমক হিসেবেই দেখছেন।
এই তিন পদকসহ ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে বাংলাদেশের মোট পদকের সংখ্যা দাঁড়ালো দশে। ২০২২ সালে তুরস্কে অনুষ্ঠিত আসরে বাংলাদেশ আর্চারিতে পেয়েছিল এক রুপা ও দুই ব্রোঞ্জ। ২০১৭ সালে আজারবাইজানের বাকুতে শুটিং থেকে এসেছিল একটি করে সোনা, রুপা ও ব্রোঞ্জ, আর রেসলিং থেকে একটি ব্রোঞ্জ।
চলতি আসর শুরু হয়েছে ৭ নভেম্বর এবং চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত। ৫৭টি দেশের প্রায় ৩ হাজার অ্যাথলেট অংশ নিচ্ছেন এবারের প্রতিযোগিতায়। বাংলাদেশ থেকে অংশ নিচ্ছেন ১০ ডিসিপ্লিনে ৩৬ জন খেলোয়াড়।
\r\nরোববার (৯ নভেম্বর) মাঠে নামবেন এসএ গেমসে দুইবারের স্বর্ণজয়ী নারী ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত।





