নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলো নিজেদের নয়, বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনের রিমোট কন্ট্রোল আগারগাঁওয়ে নেই, অন্য জায়গা থেকে পরিচালিত হয়।”
রোববার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইসি সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
হাসনাত বলেন, “নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ডে মনে হচ্ছে একটি প্রাতিষ্ঠানিক স্বৈরাচার তৈরি হচ্ছে। কোন প্রতীকের অনুমোদন বা বাতিলের ক্ষেত্রে কোনো স্পষ্ট নীতিমালা নেই। অনেক সিদ্ধান্তই যেন ব্যক্তিগত পছন্দ বা চাপের ভিত্তিতে নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “মধ্যযুগে যেমন রাজারা নিজের ইচ্ছামতো আইন বানাতেন, তেমনি ইসির আচরণেও সেই প্রবণতার ছাপ দেখা যাচ্ছে। আমরা বলছি না যে তাদের ইচ্ছা আছে, কিন্তু আচরণে রাজবাদের মতো একধরনের কর্তৃত্ব দেখা যাচ্ছে।”
এনসিপির এই নেতা অভিযোগ করেন, “আমাদের দলের প্রতীক বাতিলের সিদ্ধান্ত জনগণ-বিদ্বেষী। আমরা মনে করি, ইসিকে দিয়ে কিছু সিদ্ধান্ত করানো হচ্ছে, যা তারা নিজেরা নিতে চায় না।”
আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, “বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কর্মকাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে তারা কোনো অংশগ্রহণমূলক বা নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা রাখে না। এটি একটি মেরুদণ্ডহীন কমিশন, যারা নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছে।”
তিনি নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে বলেন, “ইসি যেন এমন স্বৈরাচারী সিদ্ধান্ত না নেয়, যাতে নুরুল হুদা কমিশনের মতো পরিণতি বরণ করতে হয়। জনগণের ক্ষোভ একসময় বিস্ফোরিত হয়—সেটা যেন এ কমিশনের ক্ষেত্রে না ঘটে।”





